সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর কারাদণ্ড, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হলে মৃত্যুদণ্ড

0
9

ডেস্ক রিপোর্ট : নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’র খসড়া। সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজা ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সোমবার মন্ত্রিসভায় এই আইনের খসড়া’র অনুমোদন দেওয়া হয়।

তবে নতুন এই আইনে তদন্তে যদি দেখা যায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চালক বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, তাহলে দণ্ডবিধি ৩০২ অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে। অর্থাৎ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড। তবে এটা তদন্ত সাপেক্ষে এবং তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারা নির্ধারণ করবে।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

মোহাম্মদ শফিউল আলম আরও বলেন, নতুন আইনে মোটরযান মালিককে ২০০৬-এর শ্রম আইন অনুসারে মোটরযান চালকের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া ও চুক্তি ছাড়া কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না। চালককে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস ও ২১ বছর বয়সী হতে হবে। আর নিজের গাড়ি চালালে বয়স ১৮ বছর হতে হবে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সড়ক পরিবহন সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় দুর্ঘটনা উদ্দ্যেশ্যমূলক, তাহলে দণ্ডবিধি ৩০২ ধারা অনুযায়ী বিচার হবে। এ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর খসড়া এবার সংসদে পাঠানো হবে। সেখানে পাস হলে আইনটি কার্যকর হবে।

রাজধানীর কুর্মিটোলায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল আইনটি।